August 10, 2020

রাম মন্দির, অযোধ্যা

রাম মন্দির ট্রাস্টের অর্থ আসে ভক্তদের দানের পয়সা থেকে। চাইলে আপনিও দিতে পারেন। সর্বনিম্ন দানের অঙ্ক একটি ইটের দাম অর্থাৎ 11 টাকা, সর্বোচ্চ যতোটা পারেন। যতোটা জানি ট্রাস্টে বর্তমানে প্রায় 30 কোটির মতো টাকা আছে। এই সবই অসংখ্য ভক্তের দানের টাকা। ভারতবর্ষ এমনই এক দেশ যেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠরা বাস্তবে সংখ্যালঘু। কেন? ভারতবর্ষে প্রদেশভেদে হিন্দুদের মন্দিরগুলোকে 23 শতাংশ অব্দি " কর " দিতে হয়। হ্যাঁ ব্যাপারটা ঠিক এটাই যে আপনি একজন হিন্দু হিসেবে নিজের ধার্মিক বিশ্বাসের জন্য ট্যাক্স দিচ্ছেন। মর্ডান " জিজিয়া কর "! কিন্তু একমাত্র মন্দির ছাড়া ভারতে প্রদেশভেদে বা কেন্দ্রীয় কোনভাবেই কোন " কর " দিতে হয় না! 

ভারতবর্ষে সবচেয়ে বেশি জমির মালিক আদতে যে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান তা হলো " চার্চ "। তাদের এক হাত জমিতেও কোনদিন কিছু কি করার দাবী তুলেছে তথাকথিত " প্রগতিশীল " সমাজ? রাম মন্দিরের রায়ে মসজিদের জন্য জায়গা হিসেবে 5 একর জমি যা রাম মন্দিরের জায়গার তুলনায় দ্বিগুণের ও বেশি, সেই জমির এক হাত জায়গাতেও কোন কিছু তৈরির দাবী কি করেছে কোনদিন তথাকথিত "প্রগতিশীল" সমাজ? পশ্চিমবঙ্গে সংখ্যালঘু উন্নয়নের নামে প্রতি বছর একটি বিশেষ সম্প্রদায়কে হাজার হাজার কোটি টাকা তাদের ধর্মীয় শিক্ষাখাত এবং তাদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বরাদ্দ করা হয়, যদিও সেই টাকা সবারই " ট্যাক্স " এর টাকা। দানের টাকা নয়। অথচ গ্রাউন্ড রিয়েলিটিতে ভারতবর্ষে "আসল সংখ্যালঘু" হচ্ছে জৈনরা, মাত্র 1 পার্সেন্ট ও পুরোপুরি হবে না, কিন্তু সবচেয়ে উন্নত ও অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে থাকা সম্প্রদায়! কিছুদিন আগেই পদ্মনাভস্বামী মন্দিরের কন্ট্রোল নেওয়ার চেষ্টা করেছিল প্রাদেশিক সরকার, কোর্ট পর্যন্ত যাওয়ায় অবশেষে রক্ষা পায়। অথচ এই মন্দির ছাড়া আর কোন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার কন্ট্রোল নেওয়ার চেষ্টা করা হয় না কিন্তু!এবার আসল কথায় আসি, হিন্দুরা ধর্মীয় বিশ্বাস পালনের জন্য ট্যাক্স দিয়েও, হিন্দুদের ট্যাক্সের টাকা থেকে অন্যেরা ধর্মীয় খাতে বরাদ্দ পাওয়ার পরেও, হিন্দুদের দানের টাকা থেকে তৈরি হতে যাওয়া মন্দিরের জায়গাতেই কেন হাসপাতাল, গবেষণাগার ইত্যাদি তৈরির দাবী তোলে "প্রগতিশীল" নামক একটি শ্রেণির পরজীবি? 

আরও আছে, ইদানিং কেউ জয় শ্রীরাম বললেই সে বিজেপি আরএসএস এর লোক। অথচ রামচন্দ্রের ইতিহাস হাজার বছরের। বংশ পরম্পরায় হিন্দুরা বাই ডিফল্ট শ্রীরামচন্দ্রের সাথে কানেক্টেড! রাম মন্দির নিয়ে আন্দোলনের সূচনা হয় 18 শতকের মাঝামাঝিতে। সেই সময়ে না বিজেপি ছিল, না আরএসএস। তা তুরস্কের খিলাফত আন্দোলন যা আদতে ছিল ইসলামি খিলাফত প্রতিষ্ঠা ও রক্ষার সংগ্রাম, তাকে তোমরা স্বাধীনতা আন্দোলন, জাতীয় আন্দোলন বলতে পারো, কিন্তু রাম মন্দির আন্দোলন বা জয় শ্রীরাম বললেই অমুক দলের লোক, তমুক দলের লোক বলে দাও, এই সার্টিফিকেট দেওয়ার তুমি কে হে শুয়োরের বাচ্চা? তোমার অওকাত কি আমাদের হাজার হাজার বছরের ইতিহাস ও সংস্কৃতির সামনে যা রক্তগঙ্গা বইয়ে দিয়েও কেউ থামাতে পারেনি?! রামচন্দ্রের সাথে তো হিন্দুরা বংশ পরম্পরায় কানেক্টেড তাহলে কি হিন্দুদের পূর্বজরা সবাই বিজেপি আরএসএস এর এজেন্ট? এই সার্টিফিকেট দেওয়ার তুমি কে হে শুয়োরের বাচ্চা?  যে দুর্গাপূজা তোমাদের কাছে জাস্ট " ফটোশ্যুট করার একটা কালচারাল প্রোগ্রাম " সেই পূজা শুরু করেছিল স্বয়ং রামচন্দ্র অকাল বোধনের মাধ্যমে। তাহলে মা দুর্গাও বিজেপি, আরএসএস এর এজেন্ট? সোজা বাঙ্গালায় বললে হিন্দুদেরকে প্রশ্ন করার কোন অধিকারই নেই। হিন্দুরা যদি তাদের ট্যাক্সের টাকার হিসেব নেওয়া শুরু করে প্রপারলি, সব অনুদান তোমাদের লুঙ্গি বাপদের লুঙ্গি আর তোমাদের প্যান্টের তলার কোন ছিদ্র দিয়ে যে বেরিয়ে যাবে টেরও পাবে না। হিন্দুদেরকে সার্টিফিকেট দেওয়ার কোন অওকাত তোদের নেই। 

আর নিজেদের ধর্মীয় অধিকার ডিফেন্ড করলে কোন হিন্দুকে বানানো হয় "কট্টর হিন্দু"। তা প্রথম কথা হিন্দুদের জন্য, কেউ যখন নিজেকে প্রাউড শিখ বলে, প্রাউড খ্রিস্টান বলে, প্রাউড জৈন বলে, প্রাউড মুসলিম বলে তাদের তো কোন লজ্জা লাগে না! আমি তো বলি লজ্জিত হবেই বা কেন তারা? তাদের প্রাউড ফিল করাই উচিত কারণ তারা তাদের ইতিহাস ও সংস্কৃতি নিয়ে গর্ববোধ করে! এটা তো দোষের কিছু না। তাহলে তুমি কোন শুয়োরের বাচ্চা হিন্দু যে তুমি প্রাউড হিন্দু, কট্টর হিন্দু বলতে লজ্জা পাও? তোমার ইতিহাস ও সংস্কৃতির মতো আর কেউ তো নেই! পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সংস্কৃতির রক্ত তোমার ধমনীতে বইছে। তাহলে কেন তুমি লজ্জিত হও শুয়োরের বাচ্চা? আর যারা ট্যাগ দেয়ার কাজ করে অর্থাৎ তথাকথিত " প্রগতিশীল " সমাজ, তোমরা কোন শুয়োরের বাচ্চা ট্যাগ দেওয়ার? অন্যদের কাউকে কখনও দিয়েছো তোমরা তোমাদের এই " প্রগতিশীলতা " খাটিয়ে? তোমাদের আরেকটা লজিক হচ্ছে, রাম ছিল কল্পিত! তা আমি ধরেই নিলাম তোমার কাছে কল্পিত, তাই বলে সেটা আমাকেও মেনে নিতে হবে, তুমি কে হে শুয়োরের বাচ্চা? তোমার এই কল্পিত কল্পনার মহাকাব্যের ধারায় তো যীশু কল্পিত ধরা দেয় না, বুদ্ধ কল্পিত ধরা দেয় না, নবী মোহাম্মদ কল্পিত ধরা দেয় না, তাহলে শুধু রামই কেন কল্পিত ধরা দেয়, কৃষ্ণ কেন কল্পিত ধরা দেয়? হিন্দুদেরকে হিন্দুদের মতো থাকতে দাও। ইহুদিদের পিছনে হিটলার তথা নাৎসিরা হাত ধুয়ে পড়াতে কনসিক্যুয়েন্স কি হয়েছিল তা ভালো করেই জানো। বাকিটা জানা না থাকলে জেনে নিও।

ঝাঁপা মাল, কিন্তু কথাগুলো চরম সত্য।

August 2, 2020

Fekularism

No, it's not a new word discovered by me. It's just for fun and to make fun of the proper word, i.e. Secularism.

I am a Hindu by birth. But did I chose to be born into a Hindu family? I think not. If almighty is real, then he must have chosen what was best for me. And, do I regret being a hindu? Absolutely not.

This religion allows you to not follow any rules and still be religious. I mean do you know any other beliefs that allows that. The number is very small.

Then I came to know a term called secularism. In the school, during history lessons, we were forced to memorize The preamble of The Constitution of India. Tada... a new word is added to my vocabulary. I had no clue what it meant. The teacher clarified that if I consider every religion equal, then I am secular.

And suddenly it struck me. I was secular from the very first day I remember of my existence, and I didn't know that term untill now. Cause we were never taught to disrespect other religions or religious beliefs, by not the constitution but our parents.

Now after so long years, I see this term, which is mine or almost all my fellow countrymen's birth identity, is in danger. And the people who are trying to impose secularism towards other, they are the culprit.

I will tell you why. The term was not included in the original constitution by Dr. Ambedkar. But the lutyens imposed it during emergency, by locking the opposition leaders in jails so that this could not be opposed in the parliament during hearing.

Now just ask yourself one simple question, we Indians are by born secular. Then what is the reason of imprinting this to the constitution by totally unethical means? Because the mere presence of this word in the constitution will allow those lutyens to do anything in the name of secularism.

Everytime this term is kept up into any debate or statement for maligning any person's image, be assured that the allegations are fake cause the term itself is fake to India's core.

Now the question is to all the readers, will you be fooled by those lutyens time after time?

July 26, 2020

কলকাতার কচুরি বৃত্তান্ত

সকাল সাড়ে আটটা। হলুদ রোদ মাখা শ্যামবাজার মোড় থেকে ট্রামগাড়ি বাঁক নিচ্ছে ছায়াঝরা বিধান সরনীর দিকে। কর্চরিকার দেখা পেতে হলে, এটাই সেরা সময়। কর্চরিকা আদি নাম। আর এখন, কচুরি। যার গল্প শুরু করতে হলে, উত্তরের কলকাতায় পা রাখতেই হবে। #হরিদাস #মোদক শ্যামবাজার মোড়েই পাশাপাশি দুই হরিদাস মোদকের দোকান। তার মধ্যে যে দোকানটা একটু পুরনো দেখতে, সেখানে একবার ঢুকে পড়লেই, কেমন যেন চুপচাপ হয়ে যায় চারপাশ। কাঠের বেঞ্চ-টেবিল। রঙচটা দেয়ালে মহাপুরুষদের বাঁধান ছবি, রজনীগন্ধার সরু মালা ঝুলছে সেখানে। কলকাতার আকাশ যখন আরো একটু নীল ছিল, ধুতি পরা যুবকের দিকে যখন কেউ অবাক হয়ে ঘুরে তাকাত না, যেন সেই হাওয়াবাতাস আজো থমকে আছে এখানে। আর, আধোআবছায়া থেকে ঝুড়ি হাতে একজন এগিয়ে আসছে আপনার দিকে। সবুজ কলাপাতায় ঘিয়েরঙা দুটি কচুরি থিতু হল তারপর। তার সঙ্গে হাতা ভরা ছোলার ডাল। নাহলে খোসা সমেত আলুর তরকারি। রসিক মাত্রেই জানেন, শ্রীরাধিকা যেমন বৃন্দাবনচন্দ্রের হ্লাদিনীশক্তি, কচুরির সঙ্গে ডাল বা তরকারির সম্পর্কও ঠিক তাই। আমরা যুগল বড় ভালবাসি। সে যাই হোক, এই দোকানে কচুরি মিলবে শুধু সকালে। তারপর লুচি। পাশের দোকানে বিকেলবেলাতেও পাওয়া যায়। অভিধান বলছে, ডালের পুর দেয়া ভাজা খাবারই হল কচুরি। সেভাবে দেখলে, ছোলার ডালের পুরীকেও কচুরি বলতে হবে। কিন্তু না। খাঁটি কচুরিতে কাঁচা বিউলির ডাল আর হিঙের পুর ছাড়া অন্য কিছু চলবে না। আবার ঐ একই পুর যখন পাঁচফোড়ন দিয়ে ভাজা হয়ে ময়দার লেচিতে ভরা হবে, তখন তার নাম রাধাবল্লভী। শীতের কথা আলাদা। তখন কড়াইশুঁটির পালা। এসব কথার ফাঁকে, পাঁচমাথার মোড় ছেড়ে পানসি ভিড়েছে #বাগবাজারে, #পটলার ঘাটে। চলুন, নেমে পড়া যাক। বাগবাজারে যখনই ঢুকেছি, রাস্তার দু’পাশে সাজানো থরে থরে কচুরি দেখে একটাই কথা মনে হয়েছে, এত কচুরি খায় কারা! উত্তর মেলেনা। শুধু ভোজবাজির মতো খালি হয়ে যায় ঝুড়ির পর ঝুড়ি। কিন্তু, এই ভিড়েও পটলার কচুরির হিসেবনিকেশ আলাদা। সে অটল হিমাদদ্রিসম। দেখতে দেখতে তিরানব্বই বছর পার করে দিল এই ছোট্ট দোকান! কাচের শো কেসের ওপারে, বাবু হয়ে বসে আছেন দিব্যেন্দু সেন। এখনকার মালিক। চোখে ঋত্বিক ঘটকের সেই কালো ফ্রেমের চশমা। -‘কে শুরু করেছিলেন দোকান?’ -‘আমার ঠাকুরদা, শশীভূষণ সেন।‘ -‘তিনিই কি পটলা?’ -না। পটলা তাঁর ছেলে। আমার কাকা। ভালো নাম কার্তিক সেন। টুকরোটাকরা কথার ফাঁকে হাত চলছে সেনবাবুর। কচুরী আর ছোট আলুর তরকারি, শালপাতার বাটিতে ছড়িয়ে পড়ছে হাতে হাতে। বিকেলে এখানে রাধাবল্লভী পাবেন। দুটি বল্লভী, দু’টুকরো আলুর দম। পাকা খদ্দের ভুলেও কোনোদিন একটুকরো আলু বেশি চাইবেনা। চাওয়াটা ভব্যতা নয়। যা দেওয়া হয়েছে, একেবারে ঠিকঠাক। ঐ আলুরদম বাজার খুঁজেও পাওয়া যাবেনা। এবার সুকিয়া স্ট্রিট। মোড় থেকে কয়েক পা এগোলেই, #গীতিকা। সরু একফালি দোকানে, কাঠের পাটাতনে বসে একটানা কচুরি বেলে চলেছেন একজন। পাশেই ময়দার তাল ঠাসা চলছে। এখানে কচুরি পাওয়া যায় যেকোন সময়। হিঙের কচুরি। আলুর তরকারি আর চাটনি মাখিয়ে মুখে দিলে কী হবে, বলি কেমনে! এই দোকান শুরু করেছিলেন গনেশ দলুই। মুড়ি, বাতাসা, তেলেভাজা আর কচুরি। এখন দোকান শঙ্কর দলুইয়ের হাতে। কণ্ঠি পরা শ্যামল মানুষটি। ঝকঝকে কথাবার্তা। ভুরু একটু কুঁচকেই বলেছিলাম, ’হিঙের দাম তো অনেক। দিচ্ছেন কীভাবে?’ মিডল স্ট্যাম্প ছিটকে গেল আমার। -‘না দিলে হিঙের কচুরি হবে কী করে!’ হাসছেন শঙ্কর দলুই। গনেশ দলুইয়ের নাতির নাতি। শিক্ষা আমার পুরো হয়নি এখনো, বললাম, ‘কতদিনের দোকান? একশো বছর হবে?’ আবার সেই হাসি, ‘আমারই তো পঞ্চাশ পেরিয়ে গেল…’ পরের দিন সোজা কলেজ স্ট্রিট। #পুঁটিরামের দোকানে। এখানে বলে রাখি, কচুরি আর রাধাবল্লভীর তফাৎটা আমায় জানিয়েছিলেন পুঁটিরামের ইন্দ্রজিৎ মোদক। কচুরির থালা হাতে খোঁজখবর শুরু করতেই বললেন, ‘আগে খেয়ে নিন। পরে রহস্যভেদ।’ দশটার পর এখানে রাধাবল্লভীর পালা। সঙ্গে কাঁচা সোনার ছোঁয়া লাগা ছোলার ডাল। হালকা একটু আদা ফোঁড়নের গন্ধ, মন ছুঁয়ে যাবে বারবার। খাওয়া শেষ আমার। কাউন্টার ছেড়ে বেরিয়ে এলেন ইন্দ্রজিৎবাবু। বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামীর শিষ্য কুলদানন্দ ব্রহ্মচারীর ভক্ত ছিলেন জিতেন্দ্রনাথ মোদক। পুঁটিরাম মোদক তাঁর পিসেমশাই। নিজের হাতে ভিত খুঁড়ে, জিতেন্দ্রনাথের জন্য এই দোকান চালু করেন কুলাদনন্দ। ‘সেই যে চালালেন, আজো চলছে’, একগাল হাসলেন ইন্দ্রজিৎবাবু। হাতজোড় করে আবার বললেন, ‘গুরুদেবেরই দোকান। আমরা সব এমনিই আছি।‘ কলকাতায় কচুরির খোঁজ সাঙ্গ করা, আর পিছনদিক করে এভারেস্টে ওঠা, দুটোই একরকম। তবু এই ঝাঁকি দর্শনে, একটু অন্যরকম স্বাদের কথা বলতে ইচ্ছে করছে এবার। ধর্মতলায়, কর্পোরেশন আর চাঁদনির ক্রসিঙে থমকে দাঁড়িয়েছি বারবার। পাশাপাশি দুটো অবাঙালি কচুরির দোকান। যেকোনো একটায় ঢুকে পড়লেই হল। তবে এখানে কচুরির থেকেও টানটা বেশি কাঁচা লঙ্কার আচারের দরুন। ঘন সবুজ এই আচারের মোহে পড়েছিল কলকাতার নব্বই দশকের কবিরা। তারা এর নাম দিয়েছিল, শয়তানের কচুরি। এখানকার আমআদার চাটনিটিও মন্দ নয়। হিঙের কচুরি, চাটনি, আচার আর তরকারি। ফুরিয়ে এলেই, বাটি ভরে ঢেলে দিয়ে যাচ্ছে আবার। যাকে বলে ভরপেট খাওয়া। কচুরির কথায় একটা বিষয় পরিষ্কার করে জানানোর দরকার। কলকাতার নামকরা বহু মিষ্টির দোকানেই কচুরি পাওয়া যায়। আমার- আপনার পাড়ার দোকানেও যায়। নামডাক সব ক্ষেত্রেই অল্পবিস্তর রয়েছে। কিন্তু এখানে আমরা খোঁজ করছি সেইসব দোকানের, যাদের তেলেভাজা বা মিষ্টির চাহিদা থাকলেও, লোকে তাদের চেনে কচুরি দুনিয়ার নক্ষত্র বলে। এরকমই একটা দোকান হল #ভবানীপুরের #শ্রীহরি। এটাসেটা মিষ্টি আছে হরেকরকম। কিন্তু ভিড়টা হল কচুরি আর রাধাবল্লভীর। শ্রীহরি কখনো ফাঁকা দেখেছি, এরকমটা ঠিক মনে পড়েনা। এখানেও আসল চাহিদাটা বোধহয় ছোলার ডালের। ১৯১২ সালে এই দোকান শুরু করেছিলেন সন্তোষকুমার গুঁই। কিছু বলা হল। আর বাকি থেকে গেল অনেকটাই। শ্যামবাজারের #দ্বারিক, দেশপ্রিয় পার্কের কাছে #মহারানি, বা খিদিরপুরের বহু পুরনো অবাঙালি কচুরির দোকান। কলকাতার আঁকাবাঁকা গলির আবছায়ায় লুকিয়ে থাকল কতজন। আর তাছাড়া, রুচিভেদ বলেও তো একটা ব্যাপার আছে। মল্লিকবাজার, রাজাবাজার বা কলাবাগানের মুসলিম বস্তিতে, সকালবিকেল রাশি রাশি কচুরি ভাজা হচ্ছে। ওরা যদিও বলে পুরী। সেই গরম কচুরি দিয়ে ধোঁয়া ওঠা শিককাবাব খেতে কতজনকে দেখেছি। এই দেখুন, আমিষের কথায় এসে, মাছের কচুরির কথাটা মনে পড়ল হঠাৎ। কিশোর সাহিত্যিক হেমেন্দ্র কুমার রায়ের দুই বিখ্যাত নায়ক বিমল আর কুমারকে, চাকর রামহরি মাঝেসাঝেই মাছের কচুরি বানিয়ে খাওয়াত। বাগবাজারের দু’একটা দোকানে এখনো মাছের কচুরির খোঁজ মিলবে। আর মিলতে পারে ধর্মতলার ডেকার্স লেনে। #আপনজন-এর দোকানে। আজকাল কলকাতায় ফুচকার মতো ক্লাব কচুরিও দেদার বিকোচ্ছে। কিন্তু সেতো এই সেদিনের কথা। তারপর? তার আর পর নেই। বেরিয়ে পড়ুন এবার। ঐ বহু দূর হতে কচুরির ডাক, থুড়ি, সুবাস ভেসে আসে। সামলে খাবেন। পরের দিন আবার খেতে হবে তো!

June 13, 2020

Happiness

Life is a unique opportunity to be happy. But people had lost the process to be really happy, untill came a global pandemic COVID-19. It is hard to believe that, a virus that is very infectious and harmful to humans, can teach them to become happy again.

What is actually needed to become happy, let's see... you need to respect life first, need to love all those who matters most. But due to the busy life of people, due to their struggle to be alive, human beings became less human and more machine.

But thanks to SARS nCOV-2, a deadly virus that brought down the human ego. It captured everyone to their homes, stopped every production line except medical of course. The world economy is thus badly hurt. But look at the bright side of the picture, the green house emissions are reduced, nature is in self-repair mode. Humans are captive and nature is free for a change. Pollution levels are reduced in a long time. Though physically separate, humans became closer emotionally. Every relationship and bonding grew stronger. They bacame more happy.

লাল শাড়ী

Lal Sari Poriya Konna, Rokto Alta Payeeee....
Amar chokhere jol misaila, Nilana Bidaaaaeee...
Tumi Fire o Chaila na Ekbar.....Choila Gela Haay...
Jani Aj rate hoiba porer, R Vaibo na amay.....

(Chander moto mukh ti jokhn vasto Nayan Jole..
Ador koira muicha Ditam Gale...
Ghate Aisa Pase Boisa Joriate ei buke...
Vulbo ami ei kotha kamune...)2

(Tobe valo kan basila, Swapno Kan Dekhaila..
Valo Kan Basila Amar eee......)2

(Chaar Beharar Palki Koira, Jokhn gela samne dia..
Ses dekha o dila na amar a...
Fira aisa dekhba tumi, choila gechi jogot chari..
Paiba Sudhu amay Swapone....)2

(Tumi Kandia Dakiba, tobu na Paiba..
Kandia A dakiba amar e.....)2

Lal Sari Poriya Konna, Rokto Alta Payeeee....
Amar chokhere jol misaila, Nilana Bidaaaaeee...
Tumi Fire o Chaila na Ekbar.....Choila Gela Haay...
Jani Aj rate hoiba porer, R Vaibo na amay.....