December 12, 2017

কর্পোরেট করচা

এক দেশে ছিলো এক পিপড়ে। সে প্রতিদিন ঠিক সকাল ৯টায় অফিসে ঢুকতো। তারপর সহকর্মীদের সঙ্গে গল্পগুজবে একটুও সময় নষ্ট না করে সঙ্গে সঙ্গে কাজে বসে যেত।

সে যে পরিমাণ কাজ করত, তাতে কোম্পানির উৎপাদন হতো প্রচুর এবং এর ফলে সে আনন্দের সঙ্গেই জীবন নির্বাহ করত।

ওই অফিসের সিইও সিংহ অবাক হয়ে দেখত, এই পিঁপড়েটি কোনো ধরনের সুপারভিশন ছাড়াই প্রচুর কাজ করছে। সিংহ ভাবল, পিঁপড়েকে যদি কারও সুপারভিশনে দেওয়া হয়, তাহলে সে আরও বেশি কাজ করতে পারবে।

কয়েক দিনের মধ্যেই সিংহ একটি তেলাপোকাকে পিঁপড়ের সুপারভাইজার হিসেবে নিয়োগ করলো। সুপারভাইজার হিসেবে এই তেলাপোকাটির ছিল দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, আর সে দুর্দান্ত রিপোর্ট লিখতে পারত।

তেলাপোকাটি প্রথমেই সিদ্ধান্ত নিল, এই অফিসে একটি অ্যাটেনডেন্স সিস্টেম থাকা উচিত।
কয়েক দিনের মধ্যেই তেলাপোকার মনে হলো, তার একজন সেক্রেটারি দরকার, যে তাকে রিপোর্ট লিখতে সাহায্য করবে। …সে একটা মাকড়সাকে নিয়োগ করলো এই কাজে যে সব ফোনকল মনিটর করবে, আর নথিপত্র ঠিকঠাক রাখবে।

সিংহ খুব আনন্দ নিয়ে দেখল যে তেলাপোকা তাকে প্রতিদিনের কাজের হিসাব দিচ্ছে আর সেগুলো বিশ্লেষণ করছে গ্রাফের মাধ্যমে। ফলে খুব সহজেই উৎপাদনের ধারা সম্পর্কে ধারণা নেওয়া যাচ্ছে এবং সিংহ সেগুলো বোর্ড মিটিংয়ে ‘প্রেজেন্টেশন’ আকারে পেশ করে বাহবা পাচ্ছে।

কিছুদিনের মধ্যেই তেলাপোকার একটি কম্পিউটার ও লেজার প্রিন্টার প্রয়োজন হলো এবং এগুলো দেখভালের জন্য আইটি ডিপার্টমেন্ট গঠন করল। আইটি বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিয়োগ পেল মাছি।

আমাদের সেই কর্মী পিঁপড়ে, যে প্রতিদিন অফিসে এসে প্রচুর কাজ করে মনের সুখে গান গাইতে গাইতে বাসায় ফিরত, তাকে এখন প্রচুর পেপার ওয়ার্ক করতে হয়, সপ্তাহের চার দিনই নানা মিটিংয়ে হাজিরা দিতে হয়।

নিত্যদিন এসব ঝামেলার কারণে কাজে ব্যাঘাত ঘটায় উৎপাদন কমতে লাগল, আর সে বিরক্ত হতে লাগল।

সিংহ সিদ্ধান্ত নিল, পিঁপড়ে যে বিভাগে কাজ করে, সেটাকে একটা আলাদা ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করে সেটার একজন ডিপার্টমেন্ট প্রধান নিয়োগ করার এটাই উপযুক্ত সময়।

সিংহ ঝিঁঝিপোকাকে ওই ডিপার্টমেন্টের প্রধান হিসেবে নিয়োগ করল। ঝিঁঝিপোকা প্রথম দিন এসেই তার রুমের জন্য একটা আরামদায়ক কার্পেট ও চেয়ারের অর্ডার দিল।

কয়েক দিনের মধ্যেই অফিসের জন্য স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান তৈরি করতে ঝিঁঝি পোকার একটি কম্পিউটার ও ব্যক্তিগত সহকারীর প্রয়োজন হলো। কম্পিউটার নতুন কেনা হলেও ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে ঝিঁঝিপোকা নিয়োগ করল তার পুরোনো অফিসের একজনকে।

পিঁপড়ে যেখানে কাজ করে, সেখানে আগে ছিল চমৎকার একটা পরিবেশ। এখন সেখানে কেউ কথা বলে না, হাসে না। সবাই খুব মনমরা হয়ে কাজ করে।

ঝিঁঝিপোকা পরিস্থিতি উন্নয়নে সিংহকে বোঝাল, ‘অফিসে কাজের পরিবেশ’ শীর্ষক একটা স্টাডি খুব জরুরি হয়ে পড়েছে।

পর্যালোচনা করে সিংহ দেখতে পেল, পিঁপড়ের বিভাগে উৎপাদন আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে।

কাজেই সিংহ কয়েক দিনের মধ্যেই স্বনামখ্যাত কনসালট্যান্ট পেঁচাকে অডিট রিপোর্ট এবং উৎপাদন বাড়ানোর উপায় বাতলে দেওয়ার জন্য নিয়োগ করল।

পেঁচা তিন মাস পিঁপড়ের ডিপার্টমেন্ট মনিটর করল, সবার সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান কথা বলল। তারপর বেশ মোটাসোটা একটা রিপোর্ট পেশ করল সিংহের কাছে। ওই রিপোর্টের সারমর্ম হলো, এই অফিসে প্রয়োজনের তুলনায় কর্মী বেশি। কর্মী ছাঁটাই করা হোক।

পরের সপ্তাহেই বেশ কয়েকজন কর্মী ছাঁটাই করা হলো। বলুন তো, কে সর্বপ্রথম চাকরি হারাল?

ওই হতভাগ্য পিঁপড়ে। কারণ, পেঁচার রিপোর্টে লেখা ছিল, ‘এই কর্মীর মোটিভেশনের ব্যাপক অভাব রয়েছে এবং সর্বদাই নেতিবাচক আচরণ করছে, যা অফিসের কর্মপরিবেশ নষ্ট করছে।

December 6, 2017

প্রণামী

রাস্তায় ইন্দ্রর সাথে স্কুলের মাস্টার মশাইয়ের হঠাৎ দেখা... ইন্দ্রর বাঁ হাতে ছিল জ্বলন্ত সিগারেট...সাথে সাথে বাঁ হাতটা পেছনে নিয়ে ডান হাত দিয়ে মাথা নীচু করে শিক্ষকের চরণ স্পর্শ করলো... পেটে চাপ পরায় ইন্দ্রর পেছন থেকে বায়ু বেরোনোর আওয়াজ ও হল।

শিক্ষক ইন্দ্রর মাথায় হাত দিয়ে আশীর্বাদ করে বললেন--
"আজকাল তো এসব উঠেই গেছে রে বাবা , এক তোকেই পেলাম যে একেবারে ধুপ-ধুনো জ্বালিয়ে শাঁখ বাজিয়ে নতজানু হয়ে প্রাক্তন শিক্ষককে প্রনাম করলি... বেঁচে থাক সুখে থাক বাবা..."

সরকারি কর্মচারী

সরকারি কর্মচারীরা প্রায় সব মানুষেরই অপছন্দের। একমাত্র বিয়ের পাত্র বা পাত্রী হিসেবেই তাদের পছন্দ হয়।

এটা কেন বলছি শুনুন আর মিলিয়ে নিন। আপনি বাজারে গেছেন মুদী খানার চাল ডাল আনতে...। দোকানদার আপনার বিশেষ পরিচিত।
সে আপনাকে যেতেই প্রশ্ন করবে:
কী দাদা আজ ছুটি?
আপনি উত্তরে বলবেন: না, এরপর বেরোবো।
তখন পাল্টা উত্তর দেবে মুদিখানা র লোকটি: আপনাদের যাওয়া আর না যাওয়া সবই সমান, না গেলেও তো পয়সা টা পেয়েই যাবেন।
*ভাবুন কী চিন্তা ধারা।*

তাই বলি সরকারি কর্মচারি দের কেউই সেভাবে সহজ করে নিতে পারেনা।

আবার কোনো সরকারি কর্মী কর্মরত অবস্থায় যদি মারা যান, আর কোনো ব্যক্তি যদি ভুলে বলেও ফেলে আহারে অকালে চলে গেলো!!! তখন পরিচিত আত্মীয় পরিজন প্রতিবেশী নিজেদের মধ্যে বলাবলি করবে, তাতে কী হয়েছে? চাকরী টা ওনার ছেলে বা স্ত্রী ঠিক পেয়ে যাবেI তারমানে শোকহীন মৃত্যু হয় প্রতিটি সরকারি কর্মীর।

আরো একটা প্রমাণ দিচ্ছি, কোনো অবসর প্রাপ্ত সরকারি কর্মীর মৃত্যুর পর কেউ কিঞ্চিৎ চোখের জল ফেলে বলেনা, আ..হা!
কীবলে?????
আরে বউ জীবিত থাকবে যতদিন, পেনসন তো পাবেই। চিন্তা করে কী লাভ ওর জন্য।
কথাটা অনেকটা এমন শোনায়, ব্যাটা মরেছে মরুক ওর পেনসন তো জীবিত; যদি ও অর্ধেক। ওই বাকি অর্ধেক অংশ টুকুর জন্য যা চোখের জল পড়ে বা কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ে, মৃত দেহের সামনে তারচেয়ে অনেক কম জল পড়ে চোখ থেকে।

তাই সরকারি কর্মী রা হলেন সবচেয়ে নিকৃষ্ট, লোকের চোখের বিষ। যারা সরকারি চাকরি পাননি তারা বুকে হাত দিয়ে এভাবেই ভাবেন না, এটা যদি বলেন তবে ডাঁহা মিথ্যে। হাজার উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তি ভালো মোটা অঙ্কের মাইনার চাকরি ছেড়ে দিতেও দ্বিধা করেনা, একটা কম মাইনার সরকারি চাকরি পেলেও।
তাই যারা পায়না, সরকারি চাকরি তাদের কাছে হয়ে ওঠে কাঁটার মত, কর্মী দের সর্বক্ষণ  গালি গালাজ করতে থাকেন। কাজ করেনা, বসে বসে মাইনা পায় সব ইত্যাদি, ইত্যাদি।

কর্মী দের যখন ভোটের ডিউটি কিংবা জন গণনা পড়ে তখন ও বাকি মানুষেরা চুপিসাড়ে হাত তালি দেয়। মনে মনে বলে, বেশ হয়েছে বোঝ তোরা এবার সরকারি চাকরীর জ্বালা, মর কয়েক টা, তাহলে হাড় জুড়োয়। সরকারি কর্মিরা যেন ছোট্ট শিশুর মা নয়, কারোর বাবা নয়, কারোর স্বামী নয়, কারোর স্ত্রী নয়। সমাজের বুকে এরা  নিশ্চিন্ত চাকরির যৎসামাণ্য মাইনা নিয়ে দিন যাপন করতে এসেছে। এদের বিপদে, দুঃখে কিছু মানুষের আজীবনের মজা।

তারা টিচারদের উদ্দেশ্যে বলে ওঠে, যার কিছু হয়না সে টিচার হয়।  আচ্ছা বাবা তোমাদের কে হতে মানা করেছে? তারও উত্তর একদম রেডি, দরকার নেই আমাদের অত কম মাইনার চাকরি করে...
*"আঙুর ফল টক"।*

যাই হোক এই আলোচনা থেকে বোঝা গেলো সরকারি কর্মী রা হলেন সমাজের বুকে এক তাচ্ছিল্যে, ব্যঙ্গ করার মত জীব। যাঁদের অবহেলায় না আছে প্রতিবাদ, না আছে তার ভাষা জানা। তাই নিচু তলা থেকে উচ্চ সবার চিন্তা ধারাই এক। কেউ সাহসের সাথে কথা ফোসকে চলকে ফেলে, কেউ মনে মনে করে।

তাই আজ থেকে সরকারি কর্মীদের বলি: আপনারা সংখ্যায় কম, কেউ অপমান করলে, কেউ নিশ্চিন্তের চাকরি, আসি যাই মাইনা পাই, এধরনের মন্তব্য করলে হেসে উড়িয়ে দেবেন না...
একটাই উত্তর দেবেন: "সবই কর্মফল", দেখবেন পাল্টা উত্তর আর পাবেন না।

ছোট গন্ডি থেকে প্র্যাকটিস করুন শিড়দাঁরার ফিজিওথেরাপি করার, তারপর না হয় মানহানী,  কালোব্যাচ, মৌন ব্রত এসব ভাববেন।

ডাক্তার বিধান চন্দ্র রায়ের অবাক কীর্তি

বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বিধান রায়কে বিমান উপহার দিতে চেয়েছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন..

সালটা ১৯৫৬, ৩ জুলাই.. ভারতে এসেছিলেন সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রধান দুই নেতা, প্রতিরক্ষামন্ত্রী নিকোলাই বুলগানিন এবং সেই সময়ের সোভিয়েত কমিউনিস্ট পার্টির সর্বোচ্চ নেতা, সাধারণ সম্পাদক নিকিতা ক্রুশ্চেভ। এই উপলক্ষে কলকাতার ব্রিগেডে জনসভা হয়েছিল, তাকে এখনও বলা হয় সর্বকালের বৃহৎ জনসমাগম! কত মানুষ এসেছিলেন? কারও মতে ৫ লক্ষ, কেউ বলেন দশ! সভা উপলক্ষে ব্রিগেডের মঞ্চে সেদিন ওই দুই সোভিয়েত নেতা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বিধান রায়। জনসমাবেশ দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন দুই সোভিয়েত নেতা!

এই সভার পরের দিন ক্রুশ্চেভ এবং বুলগানিনকে নিয়ে গঙ্গায় লঞ্চে করে বিধান রায় গেলেন শিবপুরে বোটানিক্যাল গার্ডেন দেখাতে.. রাতে হল রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় নৈশ ভোজ!

লঞ্চে যাত্রাপথে দুই সোভিয়েত নেতার সঙ্গে বিধান রায়ের যে কথা হয়েছিল, সে কথা পরে তাঁর কাছে শুনে অশোককৃষ্ণ দত্ত লিখেছিলেন 'এক মহান ব্যক্তিত্ব' রচনাটি.. যা পরে নথিবদ্ধ করেন অশোককুমার কুণ্ডু তাঁর 'ডাঃ বিধানচন্দ্র রায়' জীবনীতে..

মাঝ গঙ্গায় বিধান রায় সোভিয়েত নেতাদের লঞ্চ থেকে শহর দেখাতে দেখাতে লন্ডন, নিউই্য়র্ক, হামবুর্গ ইত্যাদি শহরে টেমস বা হাডসন বা এলবে নদীবক্ষে তাঁর স্মৃতির সঙ্গে কলকাতার তুলনা করছিলেন! এসব শুনতে শুনতে ক্রুশ্চেভ হঠাৎ বললেন, 'আপনি তো শুধু ক্যাপিটালিস্ট দেশের তুলনা করছেন, কোনও সমাজতান্ত্রিক দেশের কথা তো বলছেন না!' বিধান রায় হেসে বললেন, 'আমি তো ওই সব দেশেই গিয়েছি.. আমি তো কখনও কোনও সমাজতান্ত্রিক দেশ দেখিইনি!' ক্রুশ্চেভ তা শুনে বললেন, 'কেন যাননি কেন?'  বিধান রায় জবাবে বললেন, 'ওরা আমন্ত্রণ জানিয়েছে, তাই গিয়েছি.. আমাদের অত বিদেশি মুদ্রা নেই যে বিদেশে বেড়াতে যাব!'

তা শুনে ক্রুশ্চেভ হেসে বললেন, 'ঠিক আছে, আমি আপনাকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি, আপনি সোভিয়েত ইউনিয়নে আসুন, যত দিন খুশি থাকুন, দেখুন আমরা কেমন কাজ করছি!'  বিধান রায় হেসে বললেন, 'বড্ড দেরি কর ফেলেছেন আপনারা! এত বয়েসে আর কি যাওয়া হয়? কবে মরে যাব!' ক্রুশ্চেভ গম্ভীর ভাবে বললেন, 'মরে গেলে লাল ফৌজ কুচকাওয়াজ করে আপনাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হবে!' এই বার বিধান রায় বললেন, 'না ভাই আমি কোনও গডলেস কান্ট্রিতে মরতে চাই না!'

ক্রুশ্চেভ অবাক হয়ে বলেন, 'সেকি! ডাক্তার, তুমি তো বিজ্ঞান মানো, ঈশ্বরও মানো? দেখেছ কখনও ঈশ্বরকে?' বিধান রায় বললেন, 'আপনি কি কখনও বিদ্যুৎ দেখেছেন?' ক্রুশ্চেভ বললেন, 'না তা দেখিনি, কিন্তু সেই শক্তির প্রভাবে এই লঞ্চ চলছে, ওই আলো জ্বলছে, এসব হল ওই বিদ্যুৎ শক্তির ফলিত প্রকাশ!' বিধান রায় বললেন, 'আমিও সেই ফলিত প্রকাশ দেখেই ঈশ্বরে বিশ্বাস করি!'

এর পরও দু’জনের অনেক আলোচনা হল ঈশ্বর নিয়ে.. ক্রুশ্চেভ বিধান রায়ের সঙ্গে কথা বলে এতটাই অভিভূত হয়েছিলেন যে দেশে ফিরে তিনি বিধান রায়ের জন্য একটি বিশেষ বিমান উপহার দিতে চাইলেন! বিধান রায় তাঁকে লিখলেন, 'আমার কী আর এরোপ্লেন নিয়ে খেলার বয়স আছে! আপনি বরং আমাদের মেডিক্যাল কলেজের জন্য কিছু আধুনিক যন্ত্রপাতি পাঠান'..

কিছু দিনের মধ্যেই কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে এসে পৌঁছেছিল সেই সব আধুনিক চিকিৎসা যন্ত্র-পাতি, যা স্নাতকোত্তর মেডিক্যাল শিক্ষায় কাজে লেগেছিল!!